Header Ads

Header ADS

স্মার্টফোন কেনার সময় যে ৮টি বিষয় না জানা থাকলে ঠকবেন!

স্মার্টফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো আপনার জানা দরকার!

স্মার্টফোন কেনার আগে আমাদের অবস্থা

প্রযু্িক্ত ও বিজ্ঞানের কাছে আমাদের চাওয়ার পাওয়ারে যেনো শেষ নেই, বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত নতুন নতুন গ্যাজেট  আবিস্কার করেই চলেছে এর মধ্যে আন্যতম  এক আবিস্কার হলো স্মার্টফোন। এখন মার্কেটে 
পাওয়া যায় আধুনিক সব মডেলের  স্মার্টফোন ও সংশ্লিষ্ট আরও অনেক ডিভাইস। বর্তমান সময়ে আমাদের সবার হাতে হাতে স্মার্ট ফোন,আমরা সবাই চাই আমাদের কেনা ফেনটি লেটেস্ট বা আপডেট ভার্সন হোক। ফোন সম্পর্কে আপনার যাদি ভালো আইডিয়া বা প্রযুক্তিগত সুবিধা জানা থাকে তাহলে আপনি নিজেই আপনার জন্য উপযুক্ত ফোনটি কিনতে পারবেন।


চলুন এবার জেনে যাক স্মার্টফোন সম্পর্কে কিছু তথ্য যা আপনাকে ফোন কেনার সময় কাজে দিবে, আর কাউকে আপনার বলতে হবেনা “চলনা দোস্ত আমাকে একটা ফোন কিনে দিবি আমিতো ফোন সম্পর্কে কিছু জানিনা”!


১। প্রসেসরঃ 


প্রসেসরটি আপনার স্মার্টফোনের কেন্দ্রীয় হাব। এটি প্রতি সেকেন্ডে কয়েক বিলিয়ন গণনা সম্পাদন করে প্রতিটি কমান্ড গ্রহণ করে এবং কার্যকর করে।  কম্পিউটারের মতোই স্মার্টফোনেও ছেট্ট একটি প্রসেসর থাকে। ফোন কেনার সময় ফোনের ফিচার লিস্টে দেখতে পাবেন বড় বড় করে লেখা আছে অক্টাকোর প্রসেসর,  আসুন এবার একটু ঘেটে দেখি কি আছে প্রসেসরের ভিতর। প্রথমে ‘ডুয়াল কোর’ ‘অক্টাকোর’ বা ‘কোয়াড কোর’ সম্পর্কে জানা যাক। 
প্রসেসর

এগুলোর অর্থ হলো ২, ৪, ও ৮ টি প্রসেসরের কোর। আমরা জানি যত বেশি কোর ততই দ্রুত কাজ করবে আপনার স্মর্টফোনটি। তবে সব ফোনের জন্য কোরগুলো এক নয়। স্মর্টফোনের প্রসেসরে মূলত চার প্রকার কোর ব্যাবহার করা হয়ে থাকে কর্টেক্স এ-৩৫, এ-৫৩, এ-৫৭ এবং এ-৭২। এই নম্বরগুলো কোরের ক্ষমতা অনুশারে দেওয়া হয়েছে। সাধারনত যে কোরগুলোর ক্ষমতা কম সেগুলো কম চার্জ ব্যাবহার করে এবং তুলনা মূলক গড়মও কম হয়। তাই প্রসেসরগুলো তৈরি করা হয় দুটি ভিন্ন ধরনের কোর ব্যবহার করে । হালকা কাজের সময় অল্প ক্ষমতা সম্পন্ন কোর ও বেশি কাজের সময় শক্তিশালী কোর প্রসেসরে কাজ করে। একটি অক্টাকোর প্রসেসরে মোট আটটি কোর থাকে যেমনঃ প্রসেসর ৮১০ ‘কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন এ চারটি ‘এ৫৩’ ও চারটি ‘এ৫৭ কোর’ রয়েছে। এমন অনেক কেম্পানি আছে যারা অল্প ক্ষমতার আটটি কোর ইউজ করেই অক্টাকোর বলে তাদের ফোনগুলো বিক্রি করে।

এবার বলুন প্রসেসর সম্পর্কে কি বুঝলেন? সব কিছু জানার পরেও যদি বিষয়টি আপনার কাছে খুব কঠিন ও জটিল হয় তাহলে শুধু এইটুকু মনে রাখুন আটটি A-53 কোর এর চেয়ে দুটি A-53 এবং দুটি A-72 কোর অনেক বেশি দ্রুত কাজ করতে পারবে।


২। জিপিউঃ

ফোন কেনার সময় যেহেতু জিপিউ বেছে নেওয়ার সুযোগ কম থাকে সেহেতু আমাদের কিছু সমস্যায় পরতে হয় আমরা চাইলে অন্য ভাবে এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারি। এবার আমাদের নজর দিতে হবে ফোনের স্ক্রিনের রেজল্যুশনের কেমন হবে সেই দিকে। ধরুন, আপনার বাজেট দশ হাজার টাকা বা এর কমে কোন ফোন কিনবেন। এখন আমরা ধরে নিতে পারি প্রসেসর ও জিপিউ খুব বেশি পিক্সেল এর স্ক্রিন চালাতে সমস্যা হবে। এখন হয়তো বুঝতে পারছেন HD স্ক্রিনের স্মার্টফোন না কেনাটাই ভালো। আমি বলবো (১২৮০-৭২০) এর মধ্যে থাকা ভালো।

৩। অপারেটিং সিস্টেমঃ

স্মার্টফোন কেনার  ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেম বাছাই করা একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয়।  বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি ব্যাবহৃত ও জনপ্রীয় অপারেটিং সিস্টেম হলো এন্ড্রয়েড ওএস, এটি গুগোলের তৈরি। সবধরনের অধুনিক ফিচার এতে আছে আর এটি ফ্রী হওয়াতে এন্ড্রয়েডের জন্য প্রায় সব অ্যাপ ডেভেলপারই তাদের অ্যাপ তৈরি করে।

৪। র‌্যামঃ
মেমরি বা স্টোরেজ হলো দুই ধরনের একটা হলো RAM অন্যটা ROM, র‌্যাম হলো একটি অস্থায়ী স্টোরেজ এই ধরনের মেমরি অস্থায়ীভাবে প্রসেসরের ডাটাগুলোকে  ধরে রাখে তাই রমের চেয়ে র‌্যামের স্টোরেজ অনেক কম হয়। র‌্যাম বেশি থাকলে আপনার ফোনটি স্মুদলি চলবে, র‌্যাম বেশি থাকলে ব্যাকগ্রাউন্ডে আপনি অনেকগুলো অ্যাপ এক সাথে রান করাতে পারবেন।
৬। রমঃ
এখানে আপনার  অ্যাপ ও অপারেটিং সিস্টেম থাকবে আর বাকিটা থাকবে ইন্টারনাল স্টোরেজ হিসেবে এখানে আপনি আপনার অডিও, ভিডিও, ফটে, ও আপনার ফাইল থাকবে। ১৬ জিবির কম স্টোরেজ এর ফোন নাকেনাই ভাই পরবর্তিতে বিভিন্ন সমস্যায় পরতে হয়। আর যেসব ফোনে মাইক্রোএসডি কার্ড সাপোর্ট করে তাদের স্টোরেজ নিয়ে ভাবতে হবেনা।
৭। ক্যামেরা ঃ
আপনার ক্যামেরার রেজ্যুলেশন বা মেগাপিক্সেল যত বেশি হবে আপনার ফোনে তোলা ছবি ও ভিডিও  তত নিখুত হবে এবং বড় ডিসপ্লেতে দেখা যাবে অতএব যতটা সম্ভব ভালো মানের ক্যামেরা দেখে নিন। আরেকটা কথা ভালো ছবির  জন্য মেগাপিক্সেলই সব কিছু নয়।


৮। ব্যাটারিঃ
স্মার্টফোনের সব ভালো লাগে কিন্তু ব্যাটারি নিয়ে সবার একটাই অভিযোগ চার্জ থাকেনা তাই যতোট সম্ভব বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি কেনা দরকার। বর্তমানে ৪০০০-৫০০০  মিলিএম্পিয়ার(mAh) এর ব্যাটারি পাওয়া যায়। তবে ৩০০০ mAh এর কম মানের ব্যাটারি কিনে শান্তি পাবেনা।

আপনি ফোন কেনার সময় কোন বিষয়টির ওপর বেশি গুরুত্ব দেন সেটা কমেন্টে জানাতে ভূলবেন না!

No comments

Powered by Blogger.